বন্ধ কারখানার দশ হাজার একর জমি বিনিয়োগের জন্য খুলে দিচ্ছে সরকার
সরকার দশ হাজার তিনশত ছয় একর অব্যবহৃত রাষ্ট্রীয় শিল্প জমি বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। পাঁচটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার অধীনে চুয়াল্লিশটি বন্ধ ও লোকসানি প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগের আওতায় পড়বে। আগামী বছরের মে জুন মাসে ছয় থেকে সাতটি কারখানা বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে।
সরকার দশ হাজার তিনশত ছয় একর অব্যবহৃত রাষ্ট্রীয় শিল্প জমি বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। পাঁচটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার অধীনে চুয়াল্লিশটি বন্ধ ও লোকসানি প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগের আওতায় পড়বে। আগামী বছরের মে জুন মাসে ছয় থেকে সাতটি কারখানা বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাদেশ বস্ত্রকল সংস্থার অধীনে বারোটি, স্টিল ও ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থার অধীনে চারটি এবং রাসায়নিক শিল্প সংস্থার অধীনে দশটি কারখানার জমি এই তালিকায় রয়েছে। এর বাইরে চিনি ও খাদ্যশিল্প সংস্থার তেরোটি এবং পাটকল সংস্থার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের জমিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন দুই হাজার ছাব্বিশের আটচল্লিশ ধারার অধীনে এই নীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পঁচিশ থেকে ত্রিশ বছরের দীর্ঘমেয়াদি লিজের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে এই জমি হস্তান্তরের পরিকল্পনা বিবেচনায় রয়েছে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের নাহিয়ান রহমান রচি বলেন, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা এই জমি কাজে লাগানো গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার সম্ভব হবে। যে কোনো খাতের ব্যবসায়ী এই জমির জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কারণে সৃষ্ট আর্থিক বোঝা কমবে। তবে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লিজ প্রদান এবং শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।