ভারী বৃষ্টিতে ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থে সড়ক প্লাবিত, বিমান চলাচলেও বিঘ্ন
ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ে ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে যাতায়াত, বিমান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। নিচু এলাকার রাস্তা ও পানিতে ডুবে থাকা মোড়গুলোতে চালকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ে ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে যাতায়াত, বিমান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। নিচু এলাকার রাস্তা ও পানিতে ডুবে থাকা মোড়গুলোতে চালকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
গত ১৯ জুন শুক্রবার ভোর ছয়টার আগে মেট্রোপ্লেক্সে শক্তিশালী ঝড়ের লাইন ঢুকে পড়ে। জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর ডালাস, কলিন ও ডেন্টন কাউন্টির কিছু অংশে আকস্মিক বন্যা সতর্কতা জারি করেছিল, যা বেলা এগারোটা পঁয়তাল্লিশে শেষ হয়। কিছু এলাকায় চার থেকে পাঁচ ইঞ্চি বৃষ্টির খবর দিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া দল।
ডালাস ফায়ার-রেসকিউ পানিতে আটকে থাকা যানবাহন নিয়ে একাধিক ডাকে সাড়া দিয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। সিবিএস টেক্সাস জানায়, শুক্রবার দুপুর নাগাদ ডিএফডব্লিউ বিমানবন্দরে পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট বিলম্বিত ও তিন শতাধিক বাতিল হয়। ডালাস লাভ ফিল্ডেও বহু ফ্লাইট বিলম্বিত ও বাতিল হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও হাজারো বাসিন্দা ভোগান্তিতে পড়েন। অনকর জানিয়েছে, দুপুরের দিকে ডালাস, ট্যারান্ট, কলিন ও ডেন্টন কাউন্টিতে বিশ হাজারের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন ছিলেন। সকালে এই সংখ্যা পঁয়ত্রিশ হাজারের বেশি ছিল বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, ঠান্ডা ফ্রন্ট মেট্রোপ্লেক্সের ওপর অবস্থান করায় দিনের বাকি সময়েও অতিরিক্ত বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কা ছিল। শনিবার বিচ্ছিন্ন ঝড়ের সম্ভাবনা থাকলেও রবিবার থেকে গরম ও আর্দ্রতা বাড়তে পারে। সূত্র: সিবিএস টেক্সাস, ফক্স ৪ ও জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর