বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট বন্ধ, গ্রিডে ২৩০ মেগাওয়াটের ঘাটতি

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি চলমান ইউনিট যন্ত্রণত্রুটিতে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে কেন্দ্রটির পুরো উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২৩০ মেগাওয়াটের ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং সারা দেশে লোডশেডিং বেড়েছে।

Oct 7, 2026 - 08:04
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট বন্ধ, গ্রিডে ২৩০ মেগাওয়াটের ঘাটতি
উইকিমিডিয়া কমন্স: Shahnoor Habib Munmun

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি চলমান ইউনিট যন্ত্রণত্রুটিতে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে কেন্দ্রটির পুরো উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২৩০ মেগাওয়াটের ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং সারা দেশে লোডশেডিং বেড়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিট ১ গত সোমবার একটি বড় তার ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর মঙ্গলবার ভোরে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিট ৩-ও টার্বাইনে বড় ত্রুটি দেখা দিয়ে বন্ধ হয়ে পড়ে।

প্রধান প্রকৌশলী জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় শুরু করতে উল্লেখযোগ্য সময় লাগবে। শুধু টার্বাইন ঠান্ডা হতেই ১৫ থেকে ২০ দিন সময় প্রয়োজন। ইউনিট ১ আগে মেরামত করে চালু করার চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি জানান। বন্ধ হওয়ার আগে ইউনিট ১ থেকে ৫৫ থেকে ৬০ মেগাওয়াট এবং ইউনিট ৩ থেকে ১৬৫ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছিল।

কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। ইউনিট ১ ও ২ প্রতিটির ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং ইউনিট ৩-এর ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট। তবে ইউনিট ২ আগে থেকেই ২০২০ সাল থেকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত এই কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। দুটি ইউনিট একসঙ্গে বন্ধ হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর চাপ বেড়েছে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম