আলো দিয়ে মস্তিষ্কের কোষ নিয়ন্ত্রণের আবিষ্কারে তিন বিজ্ঞানীকে চিকিৎসায় নোবেল
আলো ব্যবহার করে মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষ সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করার গবেষণায় তিন বিজ্ঞানীকে এ বছরের চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বিজয়ীরা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ল ডাইসেরথ, জার্মানির হুম্বোল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পিটার হেগেমান এবং ভুর্জবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেয়র্গ নাগেল।
আলো ব্যবহার করে মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষ সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করার গবেষণায় তিন বিজ্ঞানীকে এ বছরের চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বিজয়ীরা হলেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ল ডাইসেরথ, জার্মানির হুম্বোল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পিটার হেগেমান এবং ভুর্জবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেয়র্গ নাগেল।
সোমবার স্টকহোমের কারোলিন্স্কা ইনস্টিটিউটে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিক্স-সংক্রান্ত আবিষ্কারের জন্য তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলারের সমতুল্য।
গবেষণায় দেখা গেছে, একটি সবুজ শেওলার মধ্যে বিশেষ এক ধরনের প্রোটিন আছে যা নীল আলোয় সক্রিয় হলে বৈদ্যুতিক আবেগ তৈরি করে। হেগেমান ও নাগেল এই প্রোটিন আবিষ্কার করেন। এরপর ডাইসেরথ সেই প্রোটিন নিয়ন্ত্রণকারী জিন ব্যবহার করে জীবন্ত ইঁদুরের মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষে আলোর সুইচ তৈরি করেন।
নোবেল কমিটির মতে, অপটোজেনেটিক্স স্নায়ুবিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা করেছে। এই পদ্ধতিতে মস্তিষ্কের বিভিন্ন পথ কীভাবে আচরণ ও রোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে তা বোঝা সম্ভব হচ্ছে এবং বিশ্বের অনেক গবেষণাগারে এটি ব্যবহার হচ্ছে।
মেডিসিন পুরস্কার দিয়ে সোমবার নোবেল সপ্তাহ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান, বুধবার রসায়ন, বৃহস্পতিবার সাহিত্য এবং শুক্রবার শান্তি পুরস্কার ঘোষণা হবে। গত বছর চিকিৎসায় নোবেল পেয়েছিলেন রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণাকারী তিন বিজ্ঞানী।
সূত্র: এনবিসি ডিএফডব্লিউ ও এপি