আইসিইর গুলিতে নিহত রিনি গুডের পরিবার আদালতে, আসামির তালিকায় ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা
মিনিয়াপলিসে অভিবাসন অভিযানে মার্কিন নাগরিক রিনি গুড আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত হওয়ার পর তার পরিবার মার্কিন সরকার ও ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছে।
মিনিয়াপলিসে অভিবাসন অভিযানে মার্কিন নাগরিক রিনি গুড আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত হওয়ার পর তার পরিবার মার্কিন সরকার ও ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের আইনজীবী আন্তোনিও রোমানুক্কি বলেন, এই অভিযান রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সহিংসতার এক অভূতপূর্ব পরিবেশ তৈরি করেছিল। গুডের সঙ্গী বেকা গুড বলেন, সারা পৃথিবী দেখেছে তাদের সব কিছু ধ্বংস হয়ে যেতে।
প্রথম মামলায় ফেডারেল আইনের অধীনে সরকারকে গুডের মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়েছে। দ্বিতীয় মামলায় আইসিই অফিসার জোনাথান রস, হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম এবং সীমান্ত উপদেষ্টা টম হোমানসহ অন্যদের বিরুদ্ধে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস মামলা দুটিকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জোরালোভাবে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছে। গুডের মা মঙ্গলবার কংগ্রেসের শুনানিতে বলেছেন, তিনি রিপাবলিকান ও ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু জবাবদিহিতা চান।
৩৭ বছর বয়সী তিন সন্তানের মা রিনি গুড ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি মিনিয়াপলিসে একটি ট্র্যাফিক স্টপে আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত হন। এরপর দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং শতাধিক ফেডারেল এজেন্ট শহর থেকে প্রত্যাহার করা হয়। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন অভিযানে এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি