গ্র্যাপভাইন-কলিভিলের লুকানো বিষ কর্মী তালিকা প্রকাশ, আছেন ১৮ জন
গ্র্যাপভাইন-কলিভিল স্বাধীন স্কুল জেলার বছরের পর বছর ধরে লুকিয়ে রাখা বিষ কর্মী তালিকা আদালতি লড়াই শেষে প্রকাশ পেয়েছে। তালিকায় ১৮ জন বর্তমান ও সাবেক কর্মীর নাম রয়েছে।
নর্থ টেক্সাসের গ্র্যাপভাইন-কলিভিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের (জিসিআইএসডি) দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে রাখা বিষ কর্মী তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। তালিকায় ১৮ জন বর্তমান ও সাবেক কর্মীর নাম রয়েছে, যাদের মধ্যে আছেন শিক্ষক, প্রিন্সিপাল, লাইব্রেরিয়ান ও শিক্ষা সহায়তাকর্মী।
শুক্রবার এনবিসি ডিএফডব্লিউ তালিকাটি প্রকাশ করে। ২০২২ সালে সাবেক স্কুল বোর্ড সদস্য ট্যামি নাকামুরা এক টাউন হল বৈঠকে প্রকাশ্যে জানান যে তিনি এবং অন্যান্য বোর্ড সদস্যরা স্কুল থেকে একটি বিষ শিক্ষক তালিকা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তখনই এনবিসি ৫ তালিকাটির জন্য সরকারি তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছিল।
জিসিআইএসডি তালিকাটি গোপন রাখার অনুমতি চেয়ে টেক্সাস অ্যাটর্নি জেনারেল কেন পাক্সটনের কাছে আবেদন করে। পাক্সটনের দপ্তর তালিকাটি গোপন না রাখার পক্ষে রায় দিলে ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে মামলা করে। বছরের পর বছর আদালতে লড়াই চলার পর নতুন স্কুল বোর্ড ও সুপারিনটেনডেন্ট মামলা প্রত্যাহার করে তালিকা প্রকাশে রাজি হয়।
তালিকায় নাম থাকা সাবেক শিক্ষিকা অ্যাঞ্জি কনেল বলেন, তাঁর নাম দেখে তিনি হতবাক। তিনি বলেন, আমি মোটেই বিষাক্ত ছিলাম না, এটা শুনে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি। তালিকার নিচে হাতে লেখা একটি নোটে ওই ব্যক্তিদের ডিস্ট্রিক্টের দায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জিসিআইএসডি জানিয়েছে, তালিকাটি ডিস্ট্রিক্ট নয়, একজন ব্যক্তি তৈরি করেছিলেন। গত সোমবার বোর্ড অব ট্রাস্টিজ মামলার আপিল না চালিয়ে তালিকা প্রকাশের পক্ষে ভোট দেয়। এর আগে ২০১৮ সালে জিসিআইএসডির যোগাযোগ বিভাগ নিজেই কনেলকে জেলার সেরা শিক্ষকদের একজন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।
সূত্র: এনবিসি ডিএফডব্লিউ