সেনা গবেষণায় প্রমাণিত তীব্র যন্ত্রণা দেয়, তবু আইসিই ৬ হাজার শক গ্লাভস কিনল
মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ৬ হাজার জোড়া ইলেকট্রিক শক গ্লাভস কিনেছে, যা অভিবাসী বন্দী ও বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মার্কিন সেনাবাহিনীর এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই গ্লাভস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তীব্র যন্ত্রণা, তাৎক্ষণিক আনুগত্য এবং আবার শক খাওয়ার প্রচণ্ড ভীতি তৈরি করেছে।
মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ৬ হাজার জোড়া ইলেকট্রিক শক গ্লাভস কিনেছে, যা অভিবাসী বন্দী ও বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মার্কিন সেনাবাহিনীর এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই গ্লাভস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তীব্র যন্ত্রণা, তাৎক্ষণিক আনুগত্য এবং আবার শক খাওয়ার প্রচণ্ড ভীতি তৈরি করেছে।
এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, ওয়াচডগ সংস্থা আমেরিকান ওভারসাইট ফ্রিডম অব ইনফরমেশন আইনে আইসিইর কাছ থেকে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি পেয়েছে। গত আগস্টে ১ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের চুক্তিতে গ্লাভসগুলো কেনার আগেই আইসিই নেতৃত্ব গবেষণার ফলাফল সম্পর্কে জানত বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
কানসাসের ফোর্ট লিভেনওয়ার্থের সামরিক কারাগারে ২০২৪ সালের অক্টোবরে পরিচালিত ওই পরীক্ষায় সেনা কর্মীরা বন্দীর ভূমিকায় অংশ নেন। গবেষণায় বলা হয়, শক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিরোধ বন্ধ হয়ে যায় এবং একজন অংশগ্রহণকারী বলেন, শুধু গ্লাভস দেখলেই সহযোগিতা করতে ইচ্ছা করে। ভেজা বা তৈলাক্ত ত্বকে শক আরও তীব্র হয়, এবং একজনের অস্বস্তি ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
আইসিই বলছে, এই গ্লাভস অন্যান্য অমারণাস্ত্রের চেয়ে নিরাপদ এবং দ্রুত আনুগত্য আনায় কর্মকর্তাদের নিরাপদ রাখে। তবে ১৬ জন মার্কিন সিনেটর এই পরিকল্পনা বাদ দেওয়া বা ব্যবহারের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবিতে আগস্টে আইসিইকে চিঠি দিয়েছিলেন। এখনো কোনো জবাব পাননি বলে সিনেটর ক্যাথরিন কোর্টেজ মাস্তো জানিয়েছেন।
সমালোচকরা বলছেন, এই গ্লাভস সহজেই ব্যবহার করা যায়, কোনো চিহ্ন রাখে না এবং কারাগারের বাইরে বিস্তারিত পরীক্ষা হয়নি। প্রস্তুতকারক কোম্পানির সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, শিশু, গর্ভবতী নারী বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপর এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। হোয়াইট হাউসের সীমান্তবিষয়ক সমন্বয়কারী টম হোম্যান বলেছেন, প্রশিক্ষণ ও নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত গ্লাভসগুলো মাঠে আসতে কিছুটা সময় লাগবে।
সূত্র: এনবিসি নিউজ