যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় দেশের অভিবাসী পাঠানোর চুক্তিতে জামাইকায় প্রথম ফ্লাইট

যুক্তরাষ্ট্র ও জামাইকার মধ্যে সই হওয়া বিতর্কিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় তৃতীয় দেশের ২২ জন অভিবাসীকে নিয়ে প্রথম ফ্লাইট মঙ্গলবার কিংস্টনের নর্মান ম্যানলে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। এই দলে সাতজন নারীসহ সবাই প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন।

Oct 19, 2026 - 08:34
যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় দেশের অভিবাসী পাঠানোর চুক্তিতে জামাইকায় প্রথম ফ্লাইট
উইকিমিডিয়া কমন্স

যুক্তরাষ্ট্র ও জামাইকার মধ্যে সই হওয়া বিতর্কিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় তৃতীয় দেশের ২২ জন অভিবাসীকে নিয়ে প্রথম ফ্লাইট মঙ্গলবার কিংস্টনের নর্মান ম্যানলে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। এই দলে সাতজন নারীসহ সবাই প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন।

এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, বিমান অবতরণের পর অভিবাসীদের পুলিশি পাহারায় বাসে করে একটি অপ্রকাশিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। জামাইকা সরকার বলেছে, এই চুক্তির আওতায় প্রতি দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৫ জন তৃতীয় দেশের নাগরিক পাঠানো হবে, যাদের পরে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

চুক্তিটি এই বছরের জুন মাসে সই হয়েছিল। এর আওতায় অভিবাসীদের জামাইকায় সাময়িকভাবে রাখা হবে এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন তাদের নিজ দেশে ফেরাতে সহায়তা করবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দলে মূলত দক্ষিণ আমেরিকার নাগরিকরা ছিলেন।

জামাইকার বিরোধী দলের নেতারা চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। বিরোধী নিরাপত্তা বিষয়ক মুখপাত্র ফিটজ জ্যাকসন বলেছেন, পার্লামেন্টকে বাদ দিয়ে গোপনে এই চুক্তি করা হয়েছে। এই চুক্তির বৈধতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিচার চলছে।

ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে লাইবেরিয়া, ইসওয়াতিনি ও প্যারাগুয়ের সঙ্গেও অনুরূপ তৃতীয় দেশ নির্বাসন চুক্তি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের চুক্তিগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন অভিবাসন নীতির একটি নতুন ধারা তৈরি করেছে।

সূত্র: এনবিসি নিউজ