তিন ধাপে অপরাধ দমনের পরিকল্পনা দিল পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কমিটি
বাংলাদেশের পুলিশের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি সহিংস অপরাধ, কিশোর গ্যাং, সংগঠিত চক্র এবং ডিজিটাল জালিয়াতিকে দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কমিটি জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে তিন ধাপে একটি রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছে।
বাংলাদেশের পুলিশের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি সহিংস অপরাধ, কিশোর গ্যাং, সংগঠিত চক্র এবং ডিজিটাল জালিয়াতিকে দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কমিটি জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে তিন ধাপে একটি রোডম্যাপ প্রস্তাব করেছে।
দ্য ডেইলি স্টার গত ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার জানায়, ডিআইজি (অপরাধ ব্যবস্থাপনা) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ দল ২০২১ থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত দেশের অপরাধের তথ্য পর্যালোচনা করে এই সুপারিশমালা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে পাঠিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছর গড়ে তিন হাজার ৩১৮টি হত্যা মামলা হয়। নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার বার্ষিক গড় ২০ হাজার ৪৭০টি মামলা, যার মধ্যে পাঁচ হাজার ৪৩৮টি ধর্ষণ মামলা। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালে মানব পাচারের মামলা ৬৯৭ থেকে বেড়ে এক হাজার ১২৬-এ পৌঁছেছে।
কমিটির একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য জানিয়েছেন, পুলিশের সাড়া দেওয়ার সময় কমানো, শৃঙ্খলা ফেরানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোয়েন্দা-চালিত পুলিশিং ব্যবস্থায় রূপান্তর করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। ইয়াবা পাচার মূলত কক্সবাজার ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক এবং হেরোইন পাচারের কেন্দ্র হিসেবে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ময়মনসিংহ চিহ্নিত হয়েছে।
২০২১ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ১০ হাজার ১০৭টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। কমিটি বলেছে, থানার দায়িত্ব পৃথক করা এবং উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণ ছাড়া সাইবার জালিয়াতি ও গ্যাং সহিংসতা মোকাবেলা কঠিন থাকবে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার